শিরোনাম

ঢাকা, ১১ মে, ২০২৬ (বাসস) : অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেছেন, টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণকে পেনশন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তকরণ বিশেষভাবে প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১৮ বছরের অধিক বয়সী জনগোষ্ঠীকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমসমূহ প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতায় অন্তর্ভুক্ত করা গেলে সুসংগঠিত সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সেমিনার ও ওয়ার্কশপ আয়োজনসহ সকল গোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে সভা আয়োজনের জন্য তিনি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
গত শনিবার জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং নিরসনের লক্ষ্যে এ কর্মশালা আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বিভিন্ন স্কিম, স্কিমের যৌক্তিকতা, বৈশিষ্ট্য, বিনিয়োগ ও নিবন্ধন তথ্য, চ্যালেঞ্জসমূহ, আগামী ২ মাসের কর্মপরিকল্পনা, বিধিমালা সংশোধনসহ সার্বিক বিষয় আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অংশগ্রহনকারীরা কম আয়ের জনগোষ্ঠীকে স্কিমসমূহে জড়িত করার গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে দেশে-বিদেশে সরকারি অফিস এবং মিশনসমূহকে প্রচারণায় অংশগ্রহণে যুক্ত করার বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়। পেনশন স্কিমসমূহ আরো জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনেরও সুপারিশ করেন তারা।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দিলরুবা শাহীনা, যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম, শরীফ নজরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসান ও মহাব্যবস্থাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান।