বাসস
  ১০ মে ২০২৬, ০০:১০

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ চট্টগ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে : দীপেন দেওয়ান

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আজ রাতে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী প্রকৌশলী পরিবার আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি : বাসস

চট্টগ্রাম, ৯ মে, ২০২৬ (বাসস) : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাষাভাষী ও জাতিসত্তার মানুষ আজ চট্টগ্রামের অর্থনীতি, শিক্ষা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, আজ এখানে এসে মনে হচ্ছে, যেন রাঙামাটি ও পার্বত্য চট্টগ্রামকে চট্টগ্রাম শহরের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের উপস্থিতি আমাদের বৈচিত্র্যের প্রতিচ্ছবি।

আজ শনিবার রাতে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী প্রকৌশলী পরিবার আয়োজিত বৈসুক, সাংগ্রাই, বিঝু,বিষু,বিহু, চাংক্রান, চাংলান, পাতা পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সমৃদ্ধ করেছেন। কেউ প্রকৌশলী, কেউ ডাক্তার, কেউ বিভিন্ন পেশায় থেকে চট্টগ্রামের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ে অনেকেই নিজেদের স্বকীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ভুলে গেলেও পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মানুষ এখনো তা ধারণ ও সংরক্ষণ করে চলেছেন। বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে পার্বত্য সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকার সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে । কারণ পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশর অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কল্যাণে মন্ত্রণালয় সবসময় পাশে থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার পরিচয় ও অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করছে।

প্রকৌশলী প্রু মং রাখাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা ও পাহাড়ি প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।