শিরোনাম

ঢাকা, ২ মে, ২০২৬ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিপ্রায়ে দীর্ঘ ১০ বছর পর আলোচিত তনু হত্যা মামলার তদন্তে জট খুলতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি আরও বলেন, এ মামলার তদন্ত অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে প্রধানমন্ত্রী ঈদের দিন আমাকে ফোনে মেসেজ (বার্তা) পাঠান। সে অনুযায়ী পরবর্তীতে তাঁকে বিস্তারিত জানানো হয়।
আজ রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা (সেলপ) কর্মসূচি এই সভার আয়োজন করে।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়েই সুদীর্ঘ দশ বছর পর এ মামলার জট খুলতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে মামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহের কারণে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে তার সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং অগ্রগতির বিষয়ে সবিস্তারে জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হলেও আইন মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১০ বছরেও যে কাজগুলো করা হয়নি, সেগুলোর অনেকগুলোই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ নিয়েছি। এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই এসব বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পদ্ধতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং তা নিরসনের কার্যকর উপায় চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা এবং জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক শাশ্বতী বিপ্লব।
কনসালটেন্ট হিসেবে সভায় গবেষণা পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন প্রাক্তন জেলা ও দায়রা জজ উম্মে কুলসুম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন, জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (জেএটিআই)-এর কর্মকর্তারা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সাংবাদিক এবং ব্র্যাকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।