শিরোনাম

ঢাকা, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : নানা আয়োজনে বাংলা নতুন বছর-১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিয়েছে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা-১৪৩৩।
বৈশাখী প্রতীক বড় মাছ, ময়ূর, পুতুল, প্যাঁচা, ঈগল ও বাঘসহ রকমারি মুখোশের এই বর্ণিল শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শান্ত-মারিয়াম একাডেমি প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক, শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ারম্যান এবং শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ডা. আহসানুল কবির, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলম, বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক হাশেম খান, ডেজিগনেটেড ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আব্দুল হালীম শেখ, ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিশির কুমার ভট্টাচার্য্য, ফাইন এন্ড পারফর্মিং আর্টসের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার নন্দী, রেজিস্ট্রার ড. পাড় মশিয়ূর রহমান, জিডিএম’র সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক মো. মনিরুল ইসলামসহ বিভাগীয় প্রধান, ফ্যাকাল্টিবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মিলনায়তনে বাংলা নববর্ষ ও হালখাতাসহ নানা বিষয়ে প্রাণবন্ত বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন অতিথিবৃন্দ।
শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমির শিক্ষার্থীদের ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের এই উৎসব আয়োজন।
বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী খই, মুড়ি, বাতাসা এবং বাহারি মৌসুমি ফল ও শরবতের আপ্যায়ন পর্বের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
বর্ষবরণ ও বৈশাখী উৎসবকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা বৈশাখী রঙিন পোশাকে প্রিয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে শোভাযাত্রা, খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা ও গল্পে নতুন বছরকে অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বরণ করে নেয়।