শিরোনাম

ঢাকা, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : শ্রমবান্ধব নীতি প্রণয়নের জন্য বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডি। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডে গভর্নিং বডির মিটিং শেষে দেশে ফিরে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বৈঠকে আগামী জুনে সংস্থাটির মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী জুলাইয়ে জেনেভায় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের উদ্যোগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সম্মেলনে যোগ দিতে জাতিসংঘের মহাসচিবের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশ পৃথিবীর রোল মডেল হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কীভাবে সৌদি আরবে আরও বেশি দক্ষ ও যোগ্য শ্রমিক আমরা পাঠাতে পারি এবং আমাদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটগুলোতে কীভাবে যৌথ কোলাবোরেশন বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া আরবি ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের কারিগরি উৎকর্ষকে আমরা কীভাবে ব্যবহার করতে পারি, এমন বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ, আধা-দক্ষ ও অদক্ষ (আন-স্কিলড) প্রতিটি ক্ষেত্রেই জনশক্তি রপ্তানি আরও বাড়ানো। এ বিষয়ে আমরা সৌদি সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমাদের যে তরুণ-তরুণী ও যুবসমাজ রয়েছে, তাদের জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। তাদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় ভাষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন। ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে আমরা সারা বিশ্বের কাছে জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শ্রমবান্ধব নীতিমালার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ আমরা শ্রম অধিকার সুরক্ষিত রাখব। আগামীর বাংলাদেশে শ্রমিক-মালিক সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এ দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।