বাসস
  ১৬ মার্চ ২০২৬, ১৫:৪৫

ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়কে চলাচল করতে দেওয়া হবে না : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে কথা বলেন। ছবি: পিআইডি

ঢাকা, ১৬ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়কে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মনিটরিং টিম গ্যারেজে গিয়েও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিষয়টি তদারকি করছে এবং হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সক্রিয় রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রী পরিবহনে শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, গত সাতদিনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায়ের কোন নজির পাওয়া যায়নি। বরং কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী জানান, ঈদযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে আজ তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে  যাত্রীদের টিকিট কেটে শৃঙ্খলভাবে বাসে উঠতে এবং বাসগুলোকে নিয়মিতভাবে টার্মিনাল ছেড়ে যেতে দেখেছেন।

মন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিআরটিএ ও পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

বিকেল থেকে যাত্রীর চাপ বাড়বে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, কাল (মঙ্গলবার) সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় আজ বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে টার্মিনালে প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মহাখালী বাস টার্মিনাল প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, টার্মিনালে জায়গা সীমিত থাকায় সব বাস একসঙ্গে পার্কিং করা সম্ভব হচ্ছে না। মূল সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি বাস ছাড়ার পর আরেকটি বাস প্রবেশ করছে। আগামী দু’তিন দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জ্বালানি সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তেলের দাম বাড়ানো হবে না। কোন পরিবহন মালিক তেল না পাওয়ার অভিযোগ করলে তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, মাত্র দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে, এতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে। তারপরও সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।