বাসস
  ০৯ মার্চ ২০২৬, ১৩:১১

চাঁপাইয়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ছবি : বাসস

-মো.শরিফুল ইসলাম-

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ৯ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক কিনতে মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। 

মার্কেটগুলোতে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে এ সময় যে জিনিষটি বেশি লক্ষ্যনীয় তা হলো, পুরুষদের তুলনায় নারী ও ছোটদের পোশাকের দোকানগুলোতে ভিড় অনেক বেশি। বিশেষ করে শাড়ি, থ্রি-পিস, গাউন, লেহেঙ্গা ও বিভিন্ন ফ্যাশনেবল পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। পাশাপাশি প্রসাধনী দোকানগুলোতেও ক্রেতা সমাগম দেখা গেছে। 

দাম ও বেচাকেনা সন্তোষজনক বলছে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। জেলার ফুটপাত থেকে শুরু করে নামীদামী মার্কেটের দোকানে দেখা মিলছে একই চিত্র। 

জেলা শহরের নিউ মার্কেট, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, পুরাতন বাজার, শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজার, কানসাট বাজার, নাচোল উপজেলার নাচোল আধুনিক মার্কেট, গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পুরাতন বাজার, রহনপুর নিউ মার্কেটসহ ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা।

ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরছেন বিভিন্ন দোকানে। দরদাম করে কিনছেন। অনেকে তাদের পছন্দের পোশাক পেয়েও যাচ্ছেন। জুতা সেন্ডেল এবং গার্মেন্টস পোশাকের দোকানে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে।

জেলা শহরের নিউ মার্কেটে পরিবারসহ ঈদের বাজার করতে এসেছেন শিবগঞ্জের মনিরুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, ঈদ আসতে এখনও প্রায় ১০-১২ দিন। কিন্তু তারপরও বাজারে ভীড়। আর কয়েকদিন পর দোকানে আরও চাপ বাড়বে। তাই একটু আগেই বাচ্চাদের নতুন পোশাক কেনার জন্য এসেছি। গত বছরের মতো দাম থাকায় সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা শেষ হয়েছে। ১০ হাজার টাকার মধ্যে পরিবারের ৪ সদস্যের পোশাক কিনেছি।

শিবগঞ্জ বাজারের তাজ মার্কেটের কাপড়ের ব্যবসায়ী সাদিকুল ইসলাম বলেন, ১০ রোজা পর্যন্ত বেচাকেনা একটু কম ছিল কিন্তু ৮/১০ দিন থেকে খুব ভাল বেচাকেনা হচ্ছে।

রহনপুর নিউ মার্কেটের মের্সাস নাদিম সু-স্টোরের মালিক বাসস’কে বলেন বিগত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। মেয়ে বাচ্চা ও তরুণীদের জুতা সেন্ডেলের চাহিদা বেশী রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মতো বেচাকেনা হচ্ছে।