শিরোনাম

ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : দেশে উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি ও কর্মসংস্থানের চাহিদা নিরূপণে বড় ধরনের সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা নিরূপণে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা’ শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করবে ‘কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেড’।
আজ রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে এই কাজের কার্যাদেশ ও অনুমতি প্রদান করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ দেশের আপামর জনসাধারণের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা দেশের সব অঞ্চলের, সব শ্রেণি-পেশা এবং ধর্মের মানুষের সমস্যা ও চাহিদা জানতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য-ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা, যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ গবেষণাটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়, যাতে দেশের নীতিনির্ধারকগণও উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে একে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ বেকার থাকছেন। চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতার ঘাটতি এই বেকারত্বের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সমস্যার প্রকৃত চিত্র এবং সমাধান খুঁজতেই এই বড় আকারের জরিপ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আশেক কবির চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতই তাদের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে।
উচ্চশিক্ষার সংস্কারে মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : দেশে উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি ও কর্মসংস্থানের চাহিদা নিরূপণে বড় ধরনের সমীক্ষায় নামছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা নিরূপণে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা’ শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করবে ‘কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেড’।
আজ রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে এই কাজের কার্যাদেশ ও অনুমতি প্রদান করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ দেশের আপামর জনসাধারণের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা দেশের সব অঞ্চলের, সব শ্রেণি-পেশা এবং ধর্মের মানুষের সমস্যা ও চাহিদা জানতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য-ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা, যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ গবেষণাটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়, যাতে দেশের নীতিনির্ধারকগণও উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে একে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ বেকার থাকছেন। চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতার ঘাটতি এই বেকারত্বের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সমস্যার প্রকৃত চিত্র এবং সমাধান খুঁজতেই এই বড় আকারের জরিপ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আশেক কবির চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতই তাদের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে।