বাসস
  ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০২

পদ্মা সেতু ক্যাশলেস বাংলাদেশের পথে এক ধাপ এগিয়ে : ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আজ বৃহষ্পতিবার সরকারি সফরে খুলনায় যাওয়ার পথে মুঠোফোনের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ডি-টোল সেবা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে কথা বলেন। ছবি: বাসস

ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, পদ্মা সেতু ক্যাশলেস বাংলাদেশের পথে এক ধাপ এগিয়েছে।

আজ বৃহষ্পতিবার সরকারি সফরে খুলনায় যাওয়ার পথে মুঠোফোনের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ডি-টোল সেবা ব্যবহার এবং পদ্মা সেতু ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ট্যাগ রেজিস্ট্রেশন সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, মানুষের যাত্রা অভিজ্ঞতা আরো সহজ ও উন্নত করতে অন্তর্র্বতী সরকারের এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। নগদভিত্তিক টোল আদায় ব্যবস্থায় গাড়ির গতি কমে গিয়ে মূল্যবান সময় অপচয় হয়। ডি-টোল চালুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে টোল প্রসেসিং সম্ভব হবে, ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে এবং মূল্যবান সময় সাশ্রয় হবে।

বিশেষ সহকারী আরো জানান, অন্তর্র্বতী সরকারের মেয়াদকালে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যমুনা সেতু, মেঘনা গোমতী সেতুসহ দেশের বৃহৎ সেতুসমূহে ডি-টোল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে এটি দেশের মহাসড়ক ও সেতুগুলোর জন্য একটি একীভূত টোলিং ব্যবস্থা হিসেবে কার্যকর হয়।

এসময় ডি-টোল সেবা ব্যবহার করেন এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক, হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, চিফ টেকনোলজি এডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সিনিয়র কনসালটেন্ট (উপ-সচিব) ফজলুল জাহিদ পাভেল, হেড অব কমিউনিকেশন মোহাম্মদ সফিউল আযমসহ এটুআই ও আইসিটি ডিভিশনের একাধিক গাড়ি।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এটুআই তৈরি করা এই সিস্টেমটির পাইলটিং কার্যক্রম গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুতে শুরু হয়। এরপর থেকে ৬ হজারের বেশি যানবাহন নিবন্ধিত হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রায় ৪ কোটি টাকা লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে এবং ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান (বিকাশ, নগদ, ট্যাপ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি) যুক্ত হয়েছে। এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের গ্রাহকরা সহজে ও নির্বিঘ্নে ডি-টোল সেবা ব্যবহার করতে পারছেন।

উল্লেখ্য, ডি-টোল সিস্টেমে নতুন কোন একাউন্ট বা অ্যাপের প্রয়োজন নেই। গ্রাহকের বিদ্যমান যেকোনো মোবাইল ব্যাংক (বিকাশ, নগদ, ট্যাপ) কিংবা ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটালি টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে।