শিরোনাম

//মোশতাক আহমদ //
ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রফিকুল আবরার বলেছেন, রাজধানীর সাত কলেজ নিয়ে গঠিত সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ দ্রুত কেবিনেট বৈঠকে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক অনুমোদন নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত আনা হয়েছে। খুব সম্ভবত আগামী রোববার অধ্যাদেশটি ক্যাবিনেটে পাঠানো হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে ইতোমধ্যে যারা ভর্তি হয়েছেন তাদের ক্লাস শুরু করে দেয়া হয়েছে যাতে তাদের শিক্ষা জীবনে সামান্যতম ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয়। আর দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাবিনেটের অনুমোদন নিয়ে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর চূড়ান্তভাবে অধ্যাদেশটি জারি করা হবে।
ড. সি আর আবরার বলেন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের পরিমার্জিত খসড়াটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক অনুমোদন নিয়ে আজ সেটি ফেরত আনা হয়।
উপদেষ্টা বলেন, একটি অধ্যাদেশ প্রকাশ করতে হলে ক্যাবিনেটের অনুমোদন ছাড়াও আইন মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। এই কাজগুলো করতে যেখানে তিন থেকে ছয় মাস লাগার কথা সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেড় মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ করেছে।
উপদেষ্টা বলেন, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রণীত এই অধ্যাদেশটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে।
তিনি লেন, ইতোমধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু করা হয়েছে, যা শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
উপদেষ্টা বলেন, উচ্চশিক্ষার এই নতুন কাঠামোটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পেশাদারিত্ব এবং ধৈর্যশীল সহযোগিতা একান্ত কাম্য। অসম্পূর্ণ তথ্য বা গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
ড. সি আর আবরার বলেন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে দুইটা টেকনিক্যাল ইস্যু ছিল। একটা হচ্ছে মানসম্মত শিক্ষা যেটা তারা পাচ্ছিল না। আরেকটা হলো তারা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের শিক্ষার কালটা শেষ করতে পারে। এই দুইটা বিষয়কে একমোডেট করে এই নতুন অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলমান আছে।