শিরোনাম

কুড়িগ্রাম, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কুড়িগ্রাম আগমন উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সফরের উদ্দেশ্য, কর্মসূচির ধরন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের করণীয় নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কুড়িগ্রাম-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাসভীর উল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাবেক সংসদ সদস্য উমর ফারুক, সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিকসহ জেলা, উপজেলা ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) কুড়িগ্রামে আসছেন। তবে এটি কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সফর নয়। তিনি মূলত জুলাই বিপ্লবে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনার উদ্দেশ্যেই কুড়িগ্রামে আগমন করবেন।
তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রামের ১০ জন জুলাই যোদ্ধাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পতিত সরকারের আমলে গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরণে ওই দিন রাত ৮টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে একটি দোয়া মাহফিলে তারেক রহমান অংশ নেবেন।
অধ্যক্ষ দুলু নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না। এ উপলক্ষে কোনো ধরনের মাইকিং, লিফলেট, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না বলেও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আগমনকে ঘিরে কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আগমন কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় নেতাদের আশা, শহীদদের স্মরণে এই দোয়া মাহফিল কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং জুলাই বিপ্লবে আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।