বাসস
  ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৪০

খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক : শাবিপ্রবি উপাচার্য

ছবি : বাসস

সিলেট, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। দেশের উচ্চশিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর নেতৃত্বে সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ব্যাপক সংখ্যক নতুন বিষয় (সাবজেক্ট) চালু হয়। ফলে আজ অসংখ্য শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার শাবিপ্রবি আয়োজিত ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের প্রতীক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল করিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক উপাচার্য মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইকবাল এবং কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল হোসেন।

শাবিপ্রবি উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর একটি বিশেষ গুণ ছিল— তিনি সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন এবং মানুষকে সম্মান করতেন। রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ কাজে তিনি জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন এবং সেই পরামর্শের ভিত্তিতেই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেন।

উপাচার্য আরো বলেন, আমাদের তাঁর কর্মজীবন ও নেতৃত্ব থেকে শিক্ষা নিতে হবে। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দিয়ে বহু কল্যাণকর কাজ সম্পন্ন করিয়েছেন। আমরা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। তাঁর সময়ে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা রাষ্ট্র পরিচালনা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রধান আলোচক ও সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, খালেদা জিয়া সিলেটের মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। তাঁকে নিয়ে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, কিন্তু তিনি সব সময় সবার সঙ্গে সহনশীল ও সৌজন্যপূর্ণ আচরণ বজায় রেখেছেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই দেশে সর্বদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আর বেগম খালেদা জিয়া সেই গণতান্ত্রিক ধারাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্বের অন্যতম গুণ ছিল তাঁর অসাধারণ ধৈর্যশীলতা। তাঁর কথাবার্তার ভাষা ছিল মার্জিত। তিনি সব সময় দেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইকবাল এবং কোষাধ্যাক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. আশরাফ উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. খায়রুল ইসলাম, এফইটি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোজ্জামেল হক, সমাজকর্ম বিভাগের প্রধান প্রফেসর মুহ. মিজানুর রহমান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. শাহ মো. আতিকুল হক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আবুল ফজল মোহাম্মদ জাকারিয়া, লোক প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী, প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. সুফিয়ান চৌধুরী, অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মখলিছুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার আ ফ ম মিফতাউল হক।