বাসস
  ৩০ আগস্ট ২০২৫, ২১:৪৪

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

ছবি: বাসস

ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) :  ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র চালু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

নতুন এ আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে ঝিনাইদহ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও মাগুরা জেলার অধিভুক্ত কলেজগুলোর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে সরকারি কেশবচন্দ্র কলেজ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতীতে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। এসব দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের কাজে সাহস করবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বিষয় চালু, আসন বৃদ্ধি এবং অনার্স, মাস্টার্স ও প্রফেশনাল কোর্স সম্প্রসারণের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঝিনাইদহসহ আশপাশের জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

সভাপতির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও যুগোপযোগী করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নানা উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে সিলেবাস সংস্কার, আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধি ও গবেষণায় সহযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খরচে ৫০ হাজার ছাত্রীকে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, পরে একই সুবিধা ছেলে শিক্ষার্থীরাও পাবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ হোসেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলার অধিভুক্ত ১৩০টি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।