বাসস
  ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৫৮

আগামীকাল সকাল ৭টায় শেষ হবে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা  

ছবি: বাসস

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর থেকে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা বন্ধ হবে। এখন সবাই নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় তুঙ্গে আছেন। এটা একটা ভালো দিক। আমরা আশা করি, সবাই আমরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার পরে নির্বাচনের বাকি দায়িত্বগুলো পালনের জন্য সচেষ্ট হয়ে যাব।’

ইসি সচিব বলেন, বড় মাপের যে সমস্ত জিনিসগুলো আছে যেমন মিছিল মিটিং, শোডাউন ইত্যাদি এগুলো বন্ধ হবে। আমরা আশা করবো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রচার প্রচারণাগুলো যেন বন্ধ থাকে। 

তিনি বলেন, ‘আমাদের মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা আছে। আমাদের এখানে একটা সেল আছে। অন্যান্য যে গভর্মেন্ট এজেন্সিস গুলো আছে তাদের কাছ থেকেও আমরা ডেটা পাই এবং ডাটা শেয়ার করি। সর্বোপরি আমরা চাই যে একটা আনন্দমুখর পরিস্থিতিতে নির্বাচন হোক। কিন্তু আনন্দ যেন আরেকজনের কষ্ট কারণ না হয়।’

গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনি প্রচারণা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হবে। সে হিসেবে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টায় প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা শেষ হবে।  

ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৩ (তিন) সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনি প্রচার শুরু করিতে পারিবেন না, এবং ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টা পূর্বে নির্বাচনি প্রচারণা সমাপ্ত করিবেন।’

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রচার প্রচারণা বন্ধ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা, নির্বাচনে ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সারাদেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।