শিরোনাম

ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ১ হাজার ৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পাওয়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে দায়িত্বপালনের লক্ষ্যে নির্বাচনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’, যা ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ২০০৯’ দ্বারা সংশোধিত, এর ১০(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী এসব কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন মোতাবেক এ আইনের তফসিলভুক্ত আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রশিক্ষণ, যোগদান ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের জেলাসমূহে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (প্রথম ব্যাচ) সকাল ১০টায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্তরা একই দিন (দ্বিতীয় ব্যাচ) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে জুম প্ল্যাটফর্মে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্ট জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসকোড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোন ও ই-মেইলে পাঠানো হবে।
এছাড়া, নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে হবে।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারকে ওইদিন রাত ৮টার মধ্যে যোগদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধিক্ষেত্রের মধ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অধিক্ষেত্র নির্ধারণ ও দায়িত্ব বণ্টন করতে পারবেন। ক্ষমতাপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়টি নিয়মিত সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে।
এছাড়া, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছকে প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।