শিরোনাম

ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): যুবকদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা যুবকদের কারণেই চাঁদাবাজমুক্ত, ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। তাদের জন্যই আমরা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা-১২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদের যুব সমাজের কাউকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ, অস্ত্রবাজ বানাবে- আমরা তা সহ্য করবো না।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করলে, বাংলাদেশ জাম্প দিয়ে, লাফ দিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।
চাঁদাবাজ রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজির সাথে রাজনীতির সম্পর্ক কী? এটি তো দুর্বৃত্তপনা। রাজনীতি হলো নীতির রাজা। কেন চাঁদাবাজি করবেন? চাঁদাবাজি বন্ধ করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাঠাবো না। সাথে আমরাও মাঠে নামবো। তিনি আরও বলেন, আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি ১২ তারিখ জনগণের ভোটে আমরা নির্বাচিত হলে, সকল চাঁদাবাজদের নির্মূল করা হবে। আমরা আশা রাখি, ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে।
আমির বলেন, ১৯৪৭ সালে আমরা একটা ভুখণ্ড পেয়েছি। এই সীমানার ওপর ভিত্তি করে ৭১ সালে যুদ্ধ হয়েছে, পরে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। ২৪ এর আন্দোলনে দেশের আপামর জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু নেতৃত্বে ছিল ছাত্ররা।
এত দুর্নীতির মধ্যেও কেন আমরা পদত্যাগ করে মন্ত্রিত্ব ছাড়িনি? বিরোধীদের এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, অনন্ত তিনটি মন্ত্রণালয় বেঁচে যাক, দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পাক। দেশ ভালো মানুষের হাতে থাকলে দুর্নীতি হয় না, এটি অন্তত মানুষ বুঝতে পারে।
৫ আগস্ট পরবর্তী দলীয় ভূমিকার বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা বলেছিলাম, কারও ওপর প্রতিশোধ নেবো না, কারও ওপর জুলুম করবো না। একটিও মিথ্যা মামলা দেয়া হবেনা। আমাদের আর্থিকভাবে নিঃস্ব করে দেয়া হয়েছে। তবুও আমাদের সহকর্মীরা কারও সাথে অন্যায় করেনি।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ইসির উদ্দেশে তিনি বলেন, আলামত ভালো নয়। মা বোনদের গায়ে হাত দেয়া হচ্ছে। জায়গায় জায়গায় হামলা হচ্ছে, বাধা দেয়া হচ্ছে। আপনারা বলেছেন, ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেবেন। এখনো জনগণ আশ্বস্ত হয়নি। আপনারা উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়ে জনগণকে আস্থায় আনেন। অন্যতায় ব্যর্থতায় দায় নিতে হবে।