বাসস
  ১১ জুন ২০২৬, ১৯:৪৫

কৃষি ঋণ সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ কর্মসূচি বাস্তবায়ন

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কথা বলেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস): শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে গৃহীত সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ বাবদ ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।

মন্ত্রী বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়েছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং কৃষি উৎপাদনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি বীমা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে তফশিলি ব্যাংকসমূহের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমদানি নির্ভরতা হ্রাসে ডাল, তৈলবীজ, মশলা ও ভুট্টা চাষে ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদে ঋণ প্রদান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণ চাষে ৪ শতাংশ এবং পার্বত্য জেলায় কৃষকদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ সম্প্রসারণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে ও সাশ্রয়ী উৎপাদন নিশ্চিতে আমরা কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি পচনশীল পণ্যের জন্য কোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পাদনের লক্ষ্যে কৃষক ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।