বাসস
  ১১ জুন ২০২৬, ০০:০৯

রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হত্যা: দুই আসামি রিমান্ডে 

ঢাকা, ১০ জুন, ২০২৬ (বাসস): স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার রিয়াজুল হাসানের (৫০) পাঁচ দিন এবং মো. আল আমিন মাহিন (৩৭) নামে আরেক আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন মামলার এজহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ জলাই দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিল্লাল হোসেন রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দিদারুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দিদারুল ইসলাম বাবু ‘শালিসের কথা’ বলে বিল্লাল হোসেনকে আরাফাত মার্কেটের পেছনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া আসামিরা তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু ও তার সহযোগীরা লোহার রড, ক্রিকেট স্টাম্প ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, হামলার একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু বিল্লাল হোসেনের বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৯ জুন বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।