শিরোনাম

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয় জনের লাশ পোড়ানোসহ অপর একজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন।
উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আজ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভিল) রেখে আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় প্রসিকিউসন পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এম এইচ তামীম, বি এম সুলতান মাহমুদ, ফারুক আহমেদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান-সহ অপর প্রসিকিউটররা। চার আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।
এই মামলায় গ্রেফতার আট আসামি হলেন ঢাকা : জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার। আসামিদের মধ্যে শেখ আবজালুল হক রাজসাক্ষী হয়ে শহীদদের পরিবারসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে জবানবন্দি দেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এ মামলার বাকি আট আসামি পলাতক।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছয়জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা করার পর পুলিশ তাদের লাশ ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে একজন জীবিত ছিলেন, কিন্তু তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি।