শিরোনাম

ইসমে আজম
ঢাকা, ৩০ মে, ২০২৬ (বাসস) : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মূল্যায়ন করতে শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা বা রাষ্ট্র পরিচালনার সময়টুকু দেখলেই হবে না। তাঁর অসামান্য সাহস, অসাধারণ বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা এবং দেশের মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধকেও মূল্যায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, বৌদ্ধতাত্ত্বিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের অবদান, রাষ্ট্র পরিচালনার অনন্য কৌশল, পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয়তাবাদ দর্শণ, সামাজিক শিষ্টাচার এবং বর্তমান প্রজন্মের জন্য সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ড. সুকোমল বড়ুয়া।
মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান:
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানকে ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ড. বড়ুয়া।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যেভাবে বাঙালিদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালিয়েছিল, তা সবারই জানা। দেশের চরম সংকটময় মুহূর্তে নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে উদ্ধার ও রক্ষার ঐতিহাসিক দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন জিয়াউর রহমান।
একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রশ্ন উত্থাপন করে পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, ‘সেদিন তো সেক্টর কমান্ডারদের অনেকেই ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই শহীদ জিয়ার চেয়ে প্রবীণ, বয়োজ্যেষ্ঠ এবং সামরিক দিক থেকেও অত্যন্ত চৌকস ছিলেন। কিন্তু সেদিন কেনো নিজের জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জিয়াউর রহমান যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন, সেটি সত্যিই গভীর ভাবনার বিষয়।’
সুকোমল বড়ুয়ার মতে, তৎকালীন সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের সমস্ত কাঠামো ও নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আন্ডারে (অধীনে) থাকা সত্ত্বেও, জিয়াউর রহমান তাঁর অনন্য সামরিক কৌশল ও মেধা দিয়ে একের পর এক বৈরী পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিলেন। পাকিস্তান থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই সেনা কর্মকর্তা যেভাবে নিজের জীবন বাজি রেখে পুরো বাজী পাল্টে দিয়েছিলেন, তা একদিকে যেমন আশ্চর্যজনক, তেমনি ঐতিহাসিক।
এই জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক আরও জানান, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে হলে শুধু যুদ্ধক্ষেত্র নয়, বরং তাঁর নেতৃত্বের মানসিকতা, ঝুঁকি নেওয়ার সাহস এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রগঠনের দর্শণকেও বুঝতে হবে।"
ড. বড়ুয়া বলেন, পাকিস্তানি সামরিক কাঠামোর মধ্য থেকে উঠে এসে পাকিস্তান-প্রশিক্ষিত একজন সেনা কর্মকর্তা কীভাবে সেই শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, সেটি সত্যিই বিস্ময়কর।
তিনি বলেন, ‘আমি আজও আশ্চর্য হইÑকী পরিমাণ সাহস, কৌশল ও মানসিক শক্তি থাকলে একজন মানুষ এমন পরিস্থিতিতেও নেতৃত্ব দিতে পারেন।’
নিভৃত পল্লী থেকে জনমানুষের নেতা হওয়ার গল্প:
ড. সুকোমল বড়ুয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি কর্মশালায় অংশ নিতে বগুড়ায় যাওয়ার সময় শহীদ জিয়ার জন্মভিটা গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি ইউনিয়ন পরিদর্শনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন বাসসকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে।
ড. বড়ুয়া বলেন, ‘আমি আশ্চর্য হয়েছিলাম, এই মহান নেতা কীভাবে নিভৃত পল্লী থেকে উঠে এসেছেন তা দেখে! বাগবাড়ির প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে যেভাবে তিনি বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা থেকেই বোঝা যায় তাঁর ব্যক্তিত্বে কী অসাধারণ সাহস, বিচক্ষণতা ও দুরদর্শতার মিশেল ছিল।’
তিনি যোগ করেন, এই ‘অমিত সাহস’ ও ‘অসামান্য দূরদর্শিতা’ না থাকলে কোনো রাষ্ট্রনায়কের পক্ষে এত অল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনায় সফল হওয়া এবং একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা কখনোই সম্ভব হত না।
জিয়াউর রহমানের কূটনীতিক দক্ষতা:
শহীদ জিয়ার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রজ্ঞার প্রশংসা করে অধ্যাপক বড়ুয়া জানান, মাত্র চার বছরের শাসনামলে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন।
বিশেষ করে গণচীনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং চীনের ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতি অনুধাবন করার ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০২৬ সাল থেকে যদি ১৯৭৭ বা ১৯৭৮ সালের সময়টাতে ফিরে দেখি; বহু বছর আগের কথা! জিয়াউর রহমান অনুধাবন করেছিলেন, চীন একদিন পৃথিবীর বুকে পরাশক্তি হয়ে উঠবে? এটা সত্যিই সাংঘাতিক মনস্তাত্ত্বিক বিচক্ষণতার ব্যাপার!’
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল 'লুক ইস্ট' বা পূর্বমুখী নীতি। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধপ্রধান দেশ, যেমন-জাপান ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে বিশেষ বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন।
ড. বড়ুয়া মনে করেন, রাজনীতিতে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ না থাকা এবং জীবনের দীর্ঘসময় সামরিক ব্যারাকে কাটানোর পরেও একজন মানুষের পক্ষে এত দ্রুত বিশ্ব ও ভূ-রাজনীতির সমীকরণ সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারাটা বিরল দূরদর্শতার পরিচয় বহন করে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সীমান্তকে নিরাপদ রাখার জন্য তাঁর গৃহীত 'সার্ক' (SAARC) গঠনের কনসেপ্টটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন ও সুদূরপ্রসারী।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা:
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক বা তাত্ত্বিক না হয়েও জিয়াউর রহমান যেভাবে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছিলেন, তা ড. বড়ুয়ার দৃষ্টিতে অত্যন্ত আধুনিক ও যুগোপযোগী ছিল।
ঢাবি’র এই অধ্যাপক ব্যাখ্যা করে বলেন, শহীদ জিয়া খণ্ডিত চিন্তায় বিশ্বাস করতেন না। তিনি জানতেন যে, এই ভূখণ্ডের সমতল ও পাহাড়ে নানা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও নৃগোষ্ঠীও বসবাস করে। যদি কেবল ‘বাঙালি' পরিচয়কে একমাত্র ভিত্তি করা হয়, তবে অবাঙালিরা কোথায় যাবে? তাদের পরিচিতি কী হবে? সেই চিন্তা থেকে জিয়াউর রহমান দেশের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করে একটি ‘অভিন্ন পরিচয়’ তৈরি করেছিলেন। আর সেই পরিচয়ের নাম ‘বাংলাদেশি’ জাতীয়তাবাদ। যা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বৈষম্য দূর করে শোষিত মানুষের মনে এক ধরনের দ্রোহ ও শক্তির জন্ম দিয়েছিল।
জিয়াউর রহমান শাসনামল ও সফলতা:
মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত শাসনামলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারে শহীদ জিয়ার অবদানকে ‘নতুন দিগন্তের উন্মোচন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ড. বড়ুয়া।
তিনি তৎকালীন সময়ের প্রধান কয়েকটি খাতের উল্লেখ করে জানান, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের উন্নয়ন এবং শিশুদের সুরক্ষায় প্রেসিডেন্ট জিয়াই প্রথম মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড পোশাক শিল্পের গোড়াপত্তন ও খাতটিকে অর্থনৈতিকভাবে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পেছনেও জিয়ার অপরিসীম অবদান ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ড. বড়ুয়া আরও জানান, মানবসম্পদকে শক্তিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে মিডল ইস্ট (মধ্যপ্রাচ্য) তথা আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর পথ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনিই উন্মুক্ত করেছিলেন। নদীমাতৃক বাংলাদেশে কৃষি ও কৃষককে বাঁচাতে তিনি দেশব্যাপী ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছিল।
জিয়াউর রহমানের সাধারণ জীবনযাপন:
ড. সুকোমল বড়ুয়া নিজের ছাত্রজীবনের একটি ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি যখন সাঙ্গু নদীর পাড়ে অবস্থিত স্কুল-কলেজে পড়তেন, তখন শহীদ জিয়া সেখানে খাল খনন কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন।
আবেগপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘চোখে কালো চশমা আর গায়ে সাধারণ গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় দেশের প্রেসিডেন্টকে সৈনিকের মতো খালের কাদামাটিতে নেমে কাজ করতে দেখেছি। একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন সাধারণ মানুষের কাতারে নেমে আসেন, তখন জনগণও প্রাণ ফিরে পান, অনুপ্রাণিত হন। জনসাধারণের সঙ্গে এই নিবিড় সংযোগের কারণেই তিনি আজও বাংলাদেশের মানুষের মাঝে তিনি এখনও এতটা জনপ্রিয়।
একই প্রসঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন। আরকান রোড দিয়ে যাওয়ার সময় এক বৌদ্ধ ভিক্ষু (সত্যপ্রিয় মহাস্থবির) এবং কয়েকজন নবীন বৌদ্ধ শ্রমণকে দেখে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর থামিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।
গাড়ি থেকে নেমে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্কিট হাউজে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান প্রেসিডেন্ট জিয়া। পরে তাৎক্ষণিক নির্দেশে চট্টগ্রাম কলেজের সামনে অবস্থিত বৌদ্ধদের পবিত্র স্থান 'দেব পাহাড়' (যা অন্যপক্ষ দখল করে নিয়েছিল) প্রকৃত মালিকদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তাঁর এই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও ধর্মপরায়ণ মনোভাব প্রশংসনীয় ছিল বলেও প্রশংসা করেন ড. বড়ুয়া।
কবি, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের মূল্যায়ন:
সামরিক বাহিনীতে কর্মজীবন অতিবাহিত করলেও দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি শহীদ জিয়ার গভীর অনুরাগের বিষয়টি এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদের সাক্ষাৎকারে দারুণভাবে উঠে এসেছে।
ড. বড়ুয়া বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে সাধারণত কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী বা শিক্ষকদের মনস্তত্ত্ব বোঝা সহজ নয়। কিন্তু জিয়াউর রহমান তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের জন্য 'স্বাধীনতা পুরস্কার' ও 'একুশে পদক'-এর মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননার প্রবর্তন করেছিলেন, যা তাঁর মৌলিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশও।
রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও আদর্শের শিকড়:
শহীদ জিয়ার শাহাদত বরণের পর বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘসময় ধরে নানা পটপরিবর্তন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে।
ড. বড়ুয়া উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন, মামলা-মোকদ্দমা, নির্যাতন ও নানা অপপ্রচার সত্ত্বেও জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ বিলুপ্ত হয়ে যায়নি।
এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং শহীদ জিয়ার আদর্শ এদেশের মাটির গভীরে প্রোথিত। যে বৃক্ষের শিকড় মাটির গভীরে চলে যায়, তা প্রবল ঝড়-ঝাপটাতেও উপড়ে পড়ে না। তাই অনান্য রাজনৈতিক দল হয়তো বিলীন হয়ে যেতে পারে, কিন্তু শহীদ জিয়ার দল টিকে থাকবে স্বমহিমায়।’
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রধান ও অন্যতম প্রবর্তক:
ড. সুকোমল বড়ুয়া জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান প্রথমে যে ১৯ দফা কর্মসূচি দিয়েছিলেন, তা ছিল দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মৌলিক দলিল। পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে পরিমার্জিত হয়ে বর্তমানের ৩১ দফায় রূপ নিয়েছে, যেখানে রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্ম, দেশ ও পররাষ্ট্রনীতির সব উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ঢাবির এই অধ্যাপক বলেন, ‘তারেক রহমানকে দেখলে তাঁর মাঝে শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই। আমি মনে করি, এই দুই ব্যক্তিত্ব একে অপরের পরিপূরক। যারা শহীদ জিয়াকে দেখেননি, তারা তারেক রহমানকে দেখলেই তাঁকে অনুভব করতে পারবেন।’
সুকোমল বড়ুয়া বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা, রাষ্ট্রচিন্তা, সমাজদর্শণ ও গণমানুষের সঙ্গে সম্পর্কÑসবকিছু একসঙ্গে দেখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াকে বুঝতে হলে অনেক বিষয়ের গভীরে যেতে হবে। শুধু উপরের দৃশ্য দেখে তাঁর অবদান বোঝা যাবে না।