শিরোনাম

রাজবাড়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম। পদ্মা ব্যারেজ এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে রাজবাড়ীবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, হাসপাতাল, অবকাঠামো উন্নয়ন, বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং নান্দনিক রাজবাড়ী গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এ প্রার্থী।
রাজবাড়ী-১ আসনটি সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা নিয়ে গঠিত। আসনটি ২টি পৌরসভা এবং ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। মোট ১৫৬টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ, ৩০ হাজার, ২১৫ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৪৯ পুরুষ, ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৮ জন নারী এবং ৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
আসনটিতে অন্য তিন প্রার্থী হলেন, জামায়াতে ইসলামীর এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির এডভোকেট হাবিবুর রহমান (লাঙ্গল) এবং জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস (গোলাপ ফুল)।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বিএনপির প্রার্থী। নির্বাচন ঘিরে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) রাজবাড়ী প্রতিনিধি মো. মোশারফ হোসেন।
বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম : বিগত সরকারের আমলে আমাদের এ জনপদে দৃশ্যমান তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এ সময় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। সে লক্ষ্যে আমাদের যুব সমাজকে এগিয়ে নিতে পদ্ম ব্যারেজ এবং দ্বিতীয় পদ্ম সেতু গুরুত্ব পাবে। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে রাজবাড়ীর সঙ্গে উত্তর বঙ্গ এবং দক্ষিণ বঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা সরাসরি চালু হবে।
নির্বাচনে জিতলে রাজবাড়ীতে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে চাই। এছাড়া শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনাকে ব্যবহার করে কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই। সর্বোপরি রাজবাড়ীকে একটি নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করছি, ভবিষ্যতেও আইন অনুসরণ করে যেতে চাই। তফসিল ঘোষণার পরে পুরোনো নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে।
বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম : জুলাই আন্দোলনের পক্ষে আমাদের অবস্থান। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট চাচ্ছি, পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি।
বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম : ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচনেই আমাকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমাকে কারাগারে পাঠানো, মামলা-হয়রানিসহ নানা নির্যাতন করা হয়েছে। জনগণ দীর্ঘদিন ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। আমার বিশ্বাস, জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে।