বাসস
  ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩৩

শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করবো: জয়পুরহাট- ১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাসুদ

মাসুদ রানা প্রধান। ফাইল ছবি

জয়পুরহাট, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ আসনে (সদর ও পাঁচবিবি) বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা জেলার উন্নয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। 

নির্বাচিত হলে জয়পুরহাটকে আধুনিক মডেল নগরী হিসাবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মাসুদ রানা প্রধান। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতা মাসুদ রানা স্বাক্ষাৎকার নিয়েছেন।
বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

মাসুদ রানা প্রধান : শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করবো। জয়পুরহাটে টেকনিক্যাল কলেজ, পাঁচবিবিতে টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট স্থাপন করার উদ্যোগ নেব। শহরের যানজট দুর করণে বিকল্প বাইপাস সড়ক নির্মাণ করবো। জেলার সন্ত্রাস বন্ধে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবো। পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস নিয়ে এসে একমাত্র ভারী শিল্প জয়পুরহাট চিনিকলকে আধুনিকায়ন এবং জনসাধারণের বাসাবাড়িতে ব্যবহারের জন্য গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করবো। বিভিন্ন স্কুলের সামনে ছাত্রদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে ওভারব্রিজ করার চেষ্টা করবো।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

মাসুদ রানা প্রধান : আমরা নির্বাচনে আচরণবিধি পালনের চেষ্টা করছি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির নির্দেশনা মেনে চলছি। আমি ও দলের সকল নেতা-কর্মীরা আচরণবিধি মেনে চলবো।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

মাসুদ রানা প্রধান : দেশের জন্য যারা জীবন দিয়ে গেছেন আমরা তাদের সন্মান জানাই। দেশের কল্যাণের 
জন্য, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য, জনগণের কল্যাণের জন্য যেটা ভালো আমরা তাকেই সমর্থন জানাই। আমার দল, দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেটা ভালো হয় সেটাই করা হবে।

বাসস : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

মাসুদ রানা প্রধান : একটি আবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রযোগ করবে। 

জনগণ যাতে নির্ভয়ে তাদের ভোট প্রদান করতে পারে সে বিষয়টি সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করবে। বিগত জুলাই-আগস্টে থানা থেকে অনেক অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীদের কাছে আছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার করে সরকার নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে আশা করছি। জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারলে অতীতের ন্যায় এবারও বিএনপি বিজয়ী হবে বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি।

উত্তরাঞ্চলের সীমান্তঘেঁসা জেলা জয়পুরহাট। জেলাটি ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ জেলায় ২টি সংসদীয় আসন আছে। সদর উপজেলা ও পাঁচবিবি নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-১ আসন। অপরদিকে কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-২ আসন।

জয়পুরহাট-১ আসন ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১৫১ টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৮৩ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৭৪ জন।

াসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি মরহুম মোজাহার আলী প্রধানের ছেলে মাসুদ রানা প্রধান। 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়াজেদ পারভেজ। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন তৌফিকা দেওয়ান। আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সুলতান মো. সামসুজ্জামান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আনোয়ার হোসেন। 

এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেকুন নাহার শিখা।