বাসস
  ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:১৩

কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই : জয়পুরহাট- ১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিখা

জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা। ছবি: বাসস

জয়পুরহাট, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা জয়পুরহাটকে আধুনিক মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। 

পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক এ চেয়ারম্যান নির্বাচনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতা মাসুদ রানা। 

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

সাবেকুন নাহার : আমার এলাকার জনগণের জন্য আমি কাজ করতে চাই। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। পাঁচবিবিতে শিল্প কারখানা তৈরি করে কর্মসংস্থান করতে চাই। যাতে শিক্ষিত বেকাররা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। 

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

সাবেকুন নাহার : নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে প্রত্যেক নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সব নিয়ম মেনে আমি নিজেও মেনে চলবো, একইসঙ্গে অন্যদেরও মেনে চলতে হবে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আচরণবিধি মেনে চলবো। 

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

সাবেকুন নাহার : আমার এলাকার ৮০ শতাংশ মানুষ নিম্ন শ্রেণীর। তারা গণভোট সর্ম্পকে জানে না। জুলাই ও গণভোট সর্ম্পকে তারা জানে না। তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সচেতন হলে ভোটাররা গণভোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে জনগণ যেটা ভালো মনে করবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। 

বাসস : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

সাবেকুন নাহার : জনগণ দীর্ঘ বছর ভোট দিতে পারেনি। আমার প্রত্যাশা দেশের সব ভোটার এবার নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন। আমরা চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। প্রত্যাশা নির্বাচিত হতে পারলে জয়পুরহাটকে একটি সিঁড়ি উপরে নিয়ে যেতে পারবো। বড় বড় দলগুলো যদি গায়ের জোর না খাটায় তাহলে আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট দেখতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

জয়পুরহাট জেলাটি ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ জেলায় ২টি সংসদীয় আসন আছে। সদর উপজেলা ও পাঁচবিবি নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-১ আসন। অপরদিকে কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-২ আসন।

জয়পুরহাট-১ আসন ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১৫১ টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৮৩ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৭৪ জন।

আসনটিতে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি মরহুম মোজাহার আলী প্রধানের ছেলে মাসুদ রানা প্রধান,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ওয়াজেদ পারভেজ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তৌফিকা দেওয়ান। 

এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সুলতান মো. সামসুজ্জামান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আনোয়ার হোসেন।