বাসস
  ২১ জুলাই ২০২৬, ১৪:৫০

ইন্দোনেশিয়ায় শিশু পাচার চক্রের প্রধানের ৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ

 
ঢাকা, ২১ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : ইন্দোনেশিয়ায় শিশু পাচারকারী একটি চক্রের  প্রধানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। 

মঙ্গলবার দেশটির এক বিচারক এ তথ্য জানিয়েছেন।

৭০ বছর বয়সী নারী লি সিউ লুয়ান ছিলেন ১৯ সদস্যের একটি চক্রের প্রধান। এই চক্রটি ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরে শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রধান বিচারক গাটোত আর্দিয়ান আগুস্ত্রিওনো বলেন, লি ‘শোষণের উদ্দেশ্যে’ অপরাধ সংঘটনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

তবে প্রসিকিউটররা তার জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেছিলেন। এর চেয়ে কম সাজা পেয়েছেন লি। 
এর আগে আদালতে তিনি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি অন্তত ১২টি শিশুকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিলেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালে লি একটি শিশুকে দত্তক দেওয়ার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুরে পাচার করেছিলেন এবং এর বিনিময়ে প্রায় ১৭ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার নিয়েছিলেন।

এই মামলার আরেক আসামি আস্ত্রি ফিতরিনিকা একই ধরনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাকে ছয় বছর সাত মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে বিচারক গাটোত জানান।

গত বছর পশ্চিম জাভা প্রদেশে এক অভিভাবক শিশু চুরির অভিযোগে পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বিক্রির আগে চক্রটির কাছে আটকে রাখা কয়েকটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া সিঙ্গাপুরের সম্ভাব্য ক্রেতারা যেসব শিশুকে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, তাদের ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরেই বিক্রি করা হয়। এদের মধ্যে রাজধানী জাকার্তার দত্তক গ্রহণকারী পরিবারও ছিল।

১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় মানবপাচার একটি বড় সমস্যা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম ভয়াবহ ঘটনায় ২০২২ সালে উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের একটি পাম তেল বাগানে অন্তত ৫৭ জন মানুষকে খাঁচাবন্দি অবস্থায় পাওয়া যায়।