বাসস
  ০৯ মে ২০২৬, ১৩:১১

ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি হিজবুল্লাহর

ঢাকা, ৯ মে, ২০২৬ (বাসস) : বৈরুতে সাম্প্রতিক হামলা ও দক্ষিণাঞ্চলে চলমান ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে।

লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছে।

গত মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরাইল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। 
বুধবার রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের আঘাত ছিল এক মাসের মধ্যে প্রথম হামলা। ওই হামলায় এক সিনিয়র হিজবুল্লাহ কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, ‘ইসরাইলি শত্রুপক্ষ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ‘ইসরাইলের বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননের গ্রাম ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো আক্রমণের জবাবে’ ইসরাইলি শহর নাহারিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঘাঁটিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

কয়েক ঘণ্টা পর, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ জানায় যে তারা উত্তর ইসরাইলের আরেকটি ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। 
তারা আরও জানায়, এই হামলাগুলোও ইসরাইলের আগের আক্রমণের পাল্টা জবাব হিসেবে চালানো হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রথম হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়। 
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের চারটি এলাকায় ইসরাইলি হামলায় দুই শিশু ও তিন নারীসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের ওই হামলায় তাদের এক সদস্যও নিহত হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, দক্ষিণাঞ্চলে তাদের এক হামলায় হিজবুল্লাহ-সমর্থিত লেবানিজ রেজিস্ট্যান্স ব্রিগেডের একজন সদস্য নিহত হয়েছে। 
তিনি ‘উদ্ধারকর্মী হিসেবেও কাজ করতেন।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যার মধ্যে তুরা রয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলে নবি শীটের কাছে হামলা চালানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের সেনাদের ওপর একাধিক হামলার দাবি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, কোনো গুরুতর লঙ্ঘন বা হামলার ঘটনা ঘটলে, ইসরাইলকে তার আত্মরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।