শিরোনাম

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে চলতি সপ্তাহে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২২ জন সন্দেহভাজন চরমপন্থী নিহত হয়েছেন। এ সময় দুই পক্ষের গোলাগুলির মাঝখানে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।
পেশোয়ার থেকে এ খবর দিয়েছে এএফপি।
সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো একটি ‘যৌথ সামরিক অভিযান’ পরিচালনা করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ‘তীব্র গোলাগুলি’ শুরু হলে ওই চরমপন্থীরা নিহত হয়।
আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে খাইবার জেলায় ওই সংঘর্ষে ১০ বছর বয়সী এক শিশু প্রাণ হারায়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ওই ঘটনায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে হামলার ঘটনা বেড়েছে, বিশেষ করে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে। নিষিদ্ধঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এর মধ্যে অনেকগুলো হামলার দায় স্বীকার করেছে।
২০২১ সালে আফগানিস্থানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে কাবুল সরকার বারবার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
এ নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ দুটির সম্পর্কেও অবনতি হয়েছে এবং সীমান্তে নিয়মিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।
এরই মধ্যে চলতি বছরে ধারাবাহিক প্রাণঘাতী আত্মঘাতী বোমা হামলার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানে একাধিক হামলা চালিয়েছে, যাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছেন।