শিরোনাম

ঢাকা, ১৩ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মধ্যে তিনি শুক্রবার সংহতি প্রকাশের উদ্দেশ্যে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে পৌঁছেছেন। ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে লেবাননে ৬৮৭ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
জেনেভা থেকে এএফপি জানায়, গুতেরেসের এই সফরে দেশটিতে ক্রমবর্ধমান মানবিক প্রয়োজনের বিষয়টি তুলে ধরার কথা রয়েছে। যুদ্ধ লেবাননে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সেখানে আট লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘লেবাননের জনগণের সঙ্গে সংহতি জানাতে আমি বৈরুতে এসে পৌঁছেছি। তারা এই যুদ্ধ বেছে নেয়নি। বরং তাদের এতে টেনে আনা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লেবানন এবং এই অঞ্চলের যে শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ প্রাপ্য, তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ এবং আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।’
জাতিসংঘ জানিয়েছে, তার এই সফরের সময় জরুরি তহবিল সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ আহ্বান জানানো হবে।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, আগামী তিন মাসে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার প্রয়োজন।
জেনেভায় সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার লেবানন মিশনের প্রধান ম্যাথিউ লুচিয়ানো বলেন, ‘মানবিক চাহিদা সহায়তার গতির চেয়ে দ্রুত বাড়ছে।’
গত সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সংগঠন ইসরাইলের ওপর হামলা চালানোর পর লেবানন এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় ওই হামলা চালানো হয়েছিল।
শুক্রবার ইসরাইল লেবাননে তাদের হামলা আরও বিস্তৃত করে। এতে লিতানি নদীর ওপর একটি সেতুসহ একাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়। ইসরাইলের দাবি, ওই সেতুটি হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহও শুক্রবার ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।