শিরোনাম

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি ও মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র গতকাল শুক্রবার ইসরাইলে অবস্থানরত মার্কিন দূতাবাসের ‘জরুরি নয়’এমন কর্মী ও তাদের পরিবারকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
যুদ্ধ এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার এক দিন পরই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিল। শুরুতে এ আলোচনা ঘিরে কিছুটা আশাবাদ ছিল। তবে তেহরান স্পষ্ট জানায়, কোনো চুক্তি করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ‘অতিরিক্ত দাবি’ থেকে সরে আসতে হবে।
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড, মিত্র ইসরাইলের উপকূলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ সময় ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে জানায় ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে’ জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
এমন এক সময়ে এই আলোচনা চলছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে মার্কিন বাহিনী।
মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘যতক্ষণ বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু আছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইসরাইল ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।’
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি শুক্রবার সকালে দূতাবাসের কর্মীদের একটি ইুমেইল পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, যাঁরা দেশে ফিরতে চান, তাঁদের ‘আজই’ তা করা উচিত।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার ইসরাইলে ইরান ইস্যুতে বৈঠক করবেন।’
সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ায় চীনসহ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের ‘যত দ্রুত সম্ভব’ ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাজ্যও ইরান থেকে তাদের দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে।