শিরোনাম

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): ইরানে বিক্ষোভকারীদের দমনে অভিযান ঠেকাতে দেশটির ওপর বিমান হামলার বিষয়টি বিবেচনায় রাখছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সোমবার এ কথা জানিয়েছে। তারা বলেছে, রাস্তায় মানুষ হতাহত হচ্ছে।
তবে কূটনীতির পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে জানান হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। তিনি বলেন, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে গোপন আলোচনায় ইরান অনেকটাই ভিন্ন সুরে কথা বলেছে।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের বাইরে সাংবাদিকদের কাছে লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি সব সময় সব বিকল্প খোলা রাখেন। সর্বাধিক নায়ক হিসেবে তাঁর সামনে থাকা বহু বিকল্পের মধ্যে বিমান হামলাও একটি বিকল্প।
তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট সব সময়ই কূটনীতির পথই আগে বেছে নেন।
লেভিট বলেন, ‘ইরানি শাসকগোষ্ঠীর কাছ থেকে প্রকাশ্যে যা শোনা যাচ্ছে, তা প্রশাসন গোপনে যে বার্তা পাচ্ছে তার থেকে একেবারেই আলাদা। প্রেসিডেন্ট ওই বার্তাগুলো খতিয়ে দেখতে আগ্রহী।’
এর আগে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও তাদের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাঘচি ও ট্রাম্পের বিশেষ দূতের মধ্যে যোগাযোগের একটি চ্যানেল খোলা রয়েছে।
রোববার ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘খুব শক্ত বিকল্প’ বিবেচনা করছে। তাঁর ভাষায়, বিক্ষোভকারীদের হত্যার বিষয়ে তেহরান আগে তাঁর নির্ধারিত ‘লাল রেখা’অতিক্রম করেছে বলে মনে হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ইরানের নেতারা বৈঠকের জন্য যোগাযোগ করেছেন। তবে তিনি আরো বলেন, ‘বৈঠকের আগেই আমাদের হয়তো পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।’
মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানাচ্ছে, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। কয়েক দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সীমিত তথ্যই ইরান থেকে বাইরে আসছে।
লেভিটের বক্তব্যে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘তিনি অবশ্যই তেহরানের রাস্তায় মানুষকে হত্যা হতে দেখতে চান না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এখন সেটাই দেখছি।’