বাসস
  ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৩

লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে অপপ্রচার শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ‘দেশের প্রধানমন্ত্রী যেখানে মাত্র ১০০ টাকায় দুপুরের খাবার খান, সেখানে সামান্য লোডশেডিং গ্যাস সংকটেই আপনাদের হাহাকার! এটা রীতিমতো বিলাসিতা।’ শিরোনামে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড প্রচার করা হচ্ছে।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ডা. জাহেদ উর রহমান এমন কোনো মন্তব্য করেননি। ‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ নামের একটি সার্কাজম পেজের পোস্টকে আসল মন্তব্য দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। প্রচারিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ মূলত একটি ব্যাঙ্গাত্মক পেজ। এটি কোনো সংবাদমাধ্যম কিংবা খবরের পেজ বা পোর্টাল নয় বলে জানায় বাংলাফ্যাক্ট। ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে ছড়িয়ে পড়া আলোচিত মন্তব্যটি মিথ্যা।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।