শিরোনাম

ঢাকা, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে ভুয়া বক্তব্য ছড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, অজ্ঞাতনামা সূত্রের বরাতে তথ্য সচিবকে জুলাইবিরোধী হিসেবে অপপ্রচার শনাক্ত করা হয়েছে। চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি)-এর মহাপরিচালককে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ‘আর জুলাই জুলাই কইরেন না’ বলেছেন—এমন দাবি করে একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।
গত ৪ এপ্রিল রাত ১১টায় ফেসবুকে ‘সিয়াম এন নুফাইস’ আইডি থেকে এ সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়, একটি তথ্যচিত্রের বিল আনতে গিয়ে তারা ‘ভেতরের একটি সূত্র থেকে’ জানতে পারেন যে, ডিএফপি মহাপরিচালককে এই কথা বলেছেন তথ্য সচিব।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, অভিযোগকারী সরাসরি তথ্য সচিব কিংবা ডিএফপি মহাপরিচালকের কাছ থেকে এ-সংক্রান্ত কথা শোনার কথা বলেননি; বরং অজ্ঞাতনামা ‘ভেতরের সূত্র’ থেকে এ কথা শুনেছেন বলে দাবি করেছেন। সূত্রের নামও উল্লেখ তিনি করেননি। পরবর্তীতে কোনো তথ্যসূত্র ছাড়াই এ-সংক্রান্ত ফটোকার্ড প্রকাশ করে কয়েকটি পেজ।
ডিএফপি’র মহাপরিচালক এ ব্যাপারে বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব আমাকে কখনও এ ধরনের কথা বলেননি।’
বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, ফেসবুকে তথ্যসূত্রহীন পোস্টগুলোতে তথ্য সচিবকে ‘জুলাইবিরোধী’ হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার তত্ত্বাবধানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র নির্মাণ; একাধিক ডকুমেন্টারি ও বই প্রকাশ; তারুণ্যের উৎসব আয়োজন; ছবি ও ড্রোন ফুটেজ প্রতিযোগিতা এবং গ্রাফিতি প্রদর্শনী।
পাশাপাশি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত সাংবাদিক ও যোদ্ধাদের অংশগ্রহণে ১৪টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও আয়োজন করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।
'বাংলাফ্যাক্ট' প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবির ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।