শিরোনাম

ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, গফরগাঁওয়ে মসজিদে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ বলে প্রচার শনাক্ত করা হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ওই মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফ্যাক্টচেক টিম জানায়, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ীয়া মধ্যেপাড়া মসজিদে দুর্বৃত্তরা মসজিদে আগুন দিয়েছে- এমন দাবি করে কোলাজ ছবিসহ একটি তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। খায়রুল বশির নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৯ মিনিটে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘটেছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া মধ্যপাড়ার মসজিদে দুর্বৃত্তদের আগুন দেওয়ার দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ওই মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
'বাংলাফ্যাক্ট' প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি'র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।