বাসস
  ১৪ জুন ২০২৬, ১৭:১৮
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ১৯:১৮

মালদ্বীপে চিকিৎসাধীন অসুস্থ প্রবাসীদের খোঁজখবর নিল বাংলাদেশ হাইকমিশন

ছবি : হাইকমিশন

ঢাকা, ১৪ জুন, ২০২৬ (বাসস): মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল রাজধানী মালের প্রধান হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে অসুস্থ প্রবাসীদের খোঁজখবর নিয়েছে।

আজ রোববার হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল (আইজিএমএইচ) এবং এডিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ বাংলাদেশি প্রবাসীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয় এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেয়।

হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল প্রথমে এডিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রবাসী আবু ইউছুপের সাথে সাক্ষাৎ করে। তিনি সম্প্রতি কর্মস্থলে এক দুর্ঘটনাজনিত কারণে গুরুতর আঘাত পেয়ে অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে নিবিড় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিনিধিদল কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সাথে তার চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করে এবং সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানায়।

পরবর্তীতে প্রতিনিধিদলটি আইজিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রবাসী রিয়াজ, মো. বাবুল সরকার এবং হান্নানের খোঁজখবর নেয় এবং চিকিৎসকদের সাথে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলে। চিকিৎসা শেষে যে সকল প্রবাসী বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের আগ্রহ প্রকাশ করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফেরার ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা চিকিৎসাধীন প্রবাসীদের সাথে আন্তরিকভাবে কথা বলে তাদের মনোবল ও সাহস জোগান এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ হাইকমিশন পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।

এ প্রসঙ্গে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমী আমাদের কোনো ভাই অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বাংলাদেশ হাইকমিশন সবসময় তাদের পাশে রয়েছে এবং চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রবাসী কর্মীরা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম ও শ্রমনিষ্ঠার উজ্জ্বল প্রতিনিধি। তাদের সম্মান, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব।

হাইকমিশনার বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসীবান্ধব উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।