বাসস
  ১৩ জুলাই ২০২৬, ২২:০৫

ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বগতি, লেনদেন ১ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা

ঢাকা, ১৩ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে সোমবার লেনদেন শেষ হয়েছে। দিনশেষে লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি ইস্যুর মধ্যে ১৮১টির দাম বেড়েছে, ১৬৫টির কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন, বাজারে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৪৭টি ট্রেডের মাধ্যমে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩২৮ টাকা। 

দিন শেষে আজ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৬৬ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএস-৩০ সূচক ২ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২০৩ দশমিক ০৯ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ১৯৬ দশমিক ৮০ পয়েন্টে পৌঁছায়।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান-মালেক স্পিনিং, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন হাউজিং, তৌফিকা ফুড, এসআরপি ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, বিএসসি, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এবং আরডি ফুড।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান- দেশ গার্মেন্টস, সমতা লেদার, আইসিবি এএমসিএল, ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-১, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, এসআরপি ইন্ডাস্ট্রিজ, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স এবং আরামিট লিমিটেড।

দর পতনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান-ফারইস্ট ফাইন্যান্স, তুংহাই নিটিং, এবি ব্যাংক প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড, ফ্যামিলিটেক্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন হাউজিং, এআইবিএল প্রথম ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং গ্রামীণ ওয়ান স্কিম-২।

ক্যাটাগরিভিত্তিক লেনদেনে বাজারের 'এ' ক্যাটাগরির ১৯৯টি ইস্যুর মধ্যে ৮৩টির দাম বেড়েছে, ১০১টির কমেছে এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। 'বি' ক্যাটাগরির ৭৪টি ইস্যুর মধ্যে ৩৪টির দর বেড়েছে, ৩১টির কমেছে এবং ৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। 'জেড' ক্যাটাগরির ১২১টি ইস্যুর মধ্যে ৬৪টির দাম বেড়েছে, ৩৩টির কমেছে এবং ২৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। 'এন' ক্যাটাগরিতে কোনো ইস্যুর লেনদেন হয়নি।

এদিকে, মিউচুয়াল ফান্ডের ৩৪টি ইস্যুর মধ্যে ৮টির দাম বেড়েছে, ২০টির কমেছে এবং ৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। করপোরেট বন্ডের (সিবি) ২টি ইস্যুর মধ্যে ১টির দাম বেড়েছে এবং ১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সরকারি সিকিউরিটিজ (জি-সেক) খাতে ৫টি ইস্যুর লেনদেন হলেও কোনো ইস্যুর দর বাড়েনি, ৫টিরই দর কমেছে।