শিরোনাম

ঢাকা, ৪ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : জাপানের টোকিওতে আগামী ৭ থেকে ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ‘ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও (অটাম) ২০২৬’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে আগ্রহী রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।
বিসিক তাদের ওয়েব সাইটে গতকাল সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে আগামী ৭ থেকে ৯ অক্টোবর টোকিও বিগ সাইটের ওয়েস্ট হলে ‘ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও (অটাম) ২০২৬’ এ মেলার আয়োজন করেছে জাপানের আরএক্স জাপান জিকে। মেলায় তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ফুটওয়্যার, লেদার গুডস এবং টেকসই পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ থাকবে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ইপিবির নির্ধারিত ছকে আবেদনপত্র পূরণ করে আগামী ৫ জুলাই বিকেল ৩টার মধ্যে ইপিবির মেলা বিভাগে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র ইপিবির ওয়েবসাইট (www.epb.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, মেলায় প্রতি বুথের আয়তন হবে ৮ দশমিক ১ বর্গমিটার এবং বুথের ধরন ‘র’ স্পেস। প্রতি বুথের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ১৫০ টাকা। কর্নার বুথের জন্য অতিরিক্ত ৪৬ হাজার ৭৫০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। বুথ নির্মাণ ও অন্যান্য ব্যয় পরবর্তীতে পে-অর্ডারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। তবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের রপ্তানি আয়ের ভিত্তিতে বুথ ভাড়ার ওপর ভর্তুকি দেবে।
তৈরি পোশাক খাতের ক্ষেত্রে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রপ্তানি আয়সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ৩০ শতাংশ, ৫ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ৪০ শতাংশ এবং ৫ মিলিয়ন ডলারের নিচে নতুন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ৫০ শতাংশ সহায়তা পাবে। অন্যান্য খাতের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ৪৫ শতাংশ এবং প্রারম্ভিক পর্যায়ের, অর্থাৎ যাদের এখনো রপ্তানি নেই, তারা ৫০ শতাংশ সহায়তা পাবে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ ভর্তুকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, ভর্তুকি শুধু একটি বুথের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ইউনিট একাধিক বুথ নিলে অতিরিক্ত বুথের জন্য ১০০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
বিসিক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের নিজস্ব বিবেচনায় ভিসা ইস্যু করা হবে। কোনো প্রতিনিধি ভিসা না পেলে সে জন্য ইপিবি দায় নেবে না। এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ার পর মেলায় অংশ না নিলে বা ভিসা না পেলে অংশগ্রহণ ফি ফেরত দেওয়া হবে না। তবে কোনো আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান মনোনীত না হলে তাদের জমা দেওয়া পে-অর্ডার ফেরত দেওয়া হবে।