বাসস
  ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৮:৪৪

লাতোর পর বিশ্বকাপে অভিষেকে সাত গোল হালান্ডের

ঢাকা, ৬ জুলাই ২০২৬ (বাসস) : গতরাতে আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মত ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে নরওয়ে। শেষ ১৬র ম্যাচে জোড়া গোল করে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন হালান্ড। 

১৯৭৪ সালে পর বিশ্বকাপের অভিষেকে সাত গোল করা খেলোয়াড় হলেন ম্যানচেষ্টার সিটির হালান্ড। সর্বশেষ ৫২ বছর পর আগে এমন কীর্তি গড়েছিলেন পোল্যান্ডের গ্রেগর্জ লাতো। বিশ্বকাপ অভিষেকে লাতোও ৭টি গোল করেছিলেন। 

তবে হালান্ডের মত নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপ স্মরনীয় করে রাখতে পারেননি মেসি-এমবাপ্পে ও পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোরা। অভিষেক বিশ্বকাপে মেসি ১টি, এমবাপ্পে ৪টি ও রোনালদো ১টি গোল করেছিলেন। 
চলতি বিশ্বকাপে সপ্তম গোল করে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের পাশে বসলেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত ৭টি করে গোল করেছেন মেসি ও এমবাপ্পে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো একটি আসরে তিনজন ভিন্ন খেলোয়াড় ৭ গোল করলেন। 

বিশ্বকাপের এবারের আসরে তৃতীয়বার ম্যাচে একাধিক গোল করলেন হালান্ড। ফলে হাঙ্গেরির সান্দর কোচিশ এবং ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তিনি। এক আসরে চারবার ম্যাচে একাধিক গোল করে রেকর্ডের মালিক কোচিশ (১৯৫৪ সাল) এবং ফঁতেন (১৯৫৮ সাল)। 

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৭-১ গোলের জয়ের ম্যাচে জার্মানির টনি ক্রুস ও আন্দ্রে শুরলে জোড়া গোল করেছিলেন। ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোনো ম্যাচে জোড় গোল করা খেলোয়াড় হলেন হালান্ড। 

বিশ্বকাপের চার ম্যাচে হালান্ডের গোলেই ম্যাচ জিতল নরওয়ে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার তিনি। সবচেয়ে বেশি পাঁচ ম্যাচে গোল করে পোল্যান্ডকে জিতিয়েছিলেন জেগোশ লাতো। এছাড়া চার ম্যাচে গোল করে নিজ নিজ দলকে জিতিয়েছিলেন ইতালির সালভাতোরে শিল্লাচি ও জার্মানির গার্ড মুলার।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বে মোট পাঁচটি গোল করেছে নরওয়ে। এর মধ্যে তিনটি গোলই করেছেন হালান্ড।

নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেন ব্রাজিলের ব্রুনো গিমারেস। ফলে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করার ধারাবাহিকতা অবশেষে ভাঙ্গল। 

৯১টি দেশের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও, একমাত্র নরওয়ের বিপক্ষে কখনও জিততে পারেনি ব্রাজিল। ৫ ম্যাচ খেলে ২ ড্র ও ৩ হার সঙ্গী তাদের।