বাসস
  ১৮ জুন ২০২৬, ২০:৩৪

মিরপুর স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা বিসিবির

ঢাকা, ১৮ জুন ২০২৬ (বাসস) : মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

আজ একটি ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। এই বেতন বৃদ্ধিকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তির কল্যাণে বোর্ডের বৃহত্তর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।

নিজের ফেসবুক পোস্টে ইব্রাহিম লিখেছেন, ‘আজ আমি মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিতে পেরে আনন্দিত। এটি আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালের প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ। যা তিনি অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় করেছিলেন। শুধু ক্রিকেটারদের নয়, মাঠে ক্রিকেটকে সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পুরো দলটির কল্যাণ নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি আরও লিখেন, ‘ক্রিকেট মানে শুধু জাতীয় দলের জার্সি পরা খেলোয়াড়ই নয়। প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি অনুশীলন সেশন এবং প্রতিটি সফল আয়োজনের পেছনে রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ একটি দল। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা স্থাপনাগুলো পরিষ্কার রাখতে, পেশাদার মান বজায় রাখতে এবং খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকরা যাতে সেরা সময় উপভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অংশ হিসেবে আমাদের শুধু ক্রিকেটার তৈরি করাই নয় যারা এই খেলাকে সমর্থন করেন, তাদের সকলের মর্যাদা ও জীবিকা রক্ষা করার দায়িত্ব আছে।’

বিসিবি পরিচালক জানান, অ্যাডহক কমিটি গঠনের পর থেকে বোর্ড তার প্রতিশ্রুতিগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আছে। প্রশাসনিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং কর্মী কল্যাণমূলক উদ্যোগকে প্রধান অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

তিনি লিখেন, ‘ন্যায্য বেতন কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি কঠোর পরিশ্রম, প্রতিশ্রুতি এবং সম্মানের স্বীকৃতি। যখন কর্মীরা আরও নিরাপদে তাদের পরিবারের ভরণপোষণ করতে পারে, তখন তারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতিতে আমাদের যৌথ লক্ষ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগী হয়ে ওঠে।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘অ্যাডহক কমিটির সময় শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নিবেদিত থেকেছি। প্রশাসনিক সংস্কার, অবকাঠামো, খেলোয়াড় উন্নয়ন বা কর্মী কল্যাণ যা-ই হোক না কেন আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।’