বাসস
  ১৫ জুন ২০২৬, ১৮:৩৫

বিশ্বকাপে সুইডেন-তিউনিশিয়া ম্যাচে ব্যবহৃত হলো ক্রিকেটের স্নিকো প্রযুক্তি

ঢাকা, ১৫ জুন ২০২৬ (বাসস) : ফুটবল বিশ্বকাপে সুইডেন-তিউনিশিয়ার ম্যাচে ব্যবহার করা হল ক্রিকেটে বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তি স্নিকো। ম্যাচে স্নিকো মিটার ব্যবহার করে সুইডেনের মাটিয়াস সভানবার্গের গোল নিয়ে সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। তিউনিশিয়ার বিপক্ষে সুইডেনের ৫-১ গোলের জয়কে ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রিকেটের ¯িœকো প্রযুক্তি।

মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সুইডেন-তিউনিশিয়া। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সভানবার্গ। মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গোল করেন তিনি। 

কিন্তু অফসাইডের কারনে পতাকা তোলেন সহকারী রেফারি। ভিএআর পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ফ্রি-কিক থেকে আসা বল সভানবার্র্গের কাছে পৌঁছানোর আগে আলেকজান্ডার ইসাকের বুটে স্পর্শ করেছিল। খালি চোখে বোঝা না গেলেও স্নিকো প্রযুক্তিতে সেটা ধরা পড়ে যায়। ফলে অফসাইডের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সভানবার্গের গোলকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। 

ক্রিকেটে বহু বছর ধরে স্নিকো প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে আসছে। ক্রিকেট বলের সাথে ব্যাট-শরীর বা অন্য কিছুর সংস্পর্শ হয় কিনা, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটি পরীক্ষা করা হয়। 

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, মাঠে নামার মাত্র ১২ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করেন সভানবার্গ। তবে ফুটবলের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এই গোলকে ১৬ ও ১৮ সেকেন্ড বলে দাবি করছে। তবে বিশ্বকাপে বদলি হিসেবে নেমে দ্রুততম গোলদাতাদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সভানবার্গ। এতে ভেঙ্গে গেছে উরুগুয়ের রিচার্ড মোরালেসের। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে সেনেগালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে ১৬ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন মোরালেস।