শিরোনাম

ঢাকা, ১৩ জুন ২০২৬ (বাসস) : জুড বেলিংহ্যাম বলেছেন, ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে থাকা প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই ভালোবাসা অনুভব করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে ইউরো ২০২৪-এ মাঠের বাইরের পরিবেশ পুরোপুরি ঠিক ছিল না।
গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে ইংল্যান্ড জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়। তবে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে তাদের পারফরম্যান্স খুব বেশি সন্তোষজনক ছিল না।
সাউথগেটের উত্তরসূরি থমাস টাচেল বলেছেন, তিনি দলে একটি “ভ্রাতৃত্ববোধ” গড়ে তুলতে চান, যাতে ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিততে পারে।
রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম ইংল্যান্ডের “লায়ন্স’ ডেন” অনুষ্ঠানে বলেন, দুই বছর আগে ইউরোতে দলের মধ্যে মাঠের বাইরের কিছু বিষয় ঠিকঠাক ছিল না। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না যে নানা কারণে দলটি যতটা সংযুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ হতে পারত, ততটা ছিল।”
বেলিংহ্যামের মতে, আগের টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো করার ফলে প্রত্যাশার মাত্রা বেড়ে যাওয়াও এর একটি কারণ। ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলার বলেন, “আমাদেরকে এমন দুই বা তিনটি দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল, যাদের টুর্নামেন্ট জেতা উচিত ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা খুব ভালো খেলছিলাম না, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছিল। ফলে জিতলেও মনে হতো, যতটা খুশি হওয়া উচিত ছিল, ততটা খুশি নয় কেউই। জয়ের জন্য নিরলস মানসিকতা অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃতি, বিশেষ করে এই পর্যায়ে জয়ের অনুভূতি খুব দ্রুত মিলিয়ে যায়। আমার মনে হয়, সেই মুহূর্তগুলোকে আমাদের আরও কিছুটা সময় ধরে উপভোগ করা উচিত ছিল।
“এবার আমরা সেই অভিজ্ঞতাগুলো সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছি। আমরা জানি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা খেলোয়াড়টি সব সময় সেই ব্যক্তি নাও হতে পারে, যার ওপর আপনি সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন। তাই সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে, সবাইকে ভালোবাসা ও গুরুত্ব পাওয়ার অনুভূতি দিতে হবে এবং সবাইকে মনে করতে হবে যে তারা দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
আগামী বুধবার টেক্সাসের আর্লিংটনে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইংল্যান্ড তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে।