বাসস
  ২০ মার্চ ২০২৬, ১৬:১১

নারী কোচদের সম্ভাবনা বাড়াতে ফিফার নতুন সিদ্ধান্ত

ঢাকা, ২০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বৃহস্পতিবার তাদের কাউন্সিল সভায় যুগান্তকারী এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়মানুযায়ী ফিফা আয়োজিত যেকোনো নারী টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সব দলকে একজন নারী প্রধান কোচ বা সহকারী কোচ রাখতে হবে।

এই পরিবর্তনটি সব ধরনের যুব ও সিনিয়র টুর্নামেন্ট, জাতীয় দলের প্রতিযোগিতা এবং ক্লাব প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপের মাধ্যমে এর সূচনা হবে।

এছাড়াও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে নারী চ্যাম্পিয়ন্স কাপের দ্বিতীয় আসর, ২০২৭ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপ এবং দুই বছর পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারী ক্লাব বিশ্বকাপেও।

এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, এই উদ্যোগটি তাদের বৃহত্তর কৌশলের অংশ, যার লক্ষ্য হলো নারী ফুটবলের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কৌশলগত ও নেতৃত্বের ভূমিকায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো নিশ্চিত করা।

নারী ফুটবলের উন্নতি সত্ত্বেও কোচিং পদের বেশিরভাগই এখনো পুরুষদের দখলে। ২০২৩ সালের নারী বিশ্বকাপে ৩২ জন প্রধান কোচের মধ্যে মাত্র ১২ জন ছিলেন নারী।

ফিফার প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সাবেক প্রধান কোচ জিল এলিস বলেন, “বর্তমানে কোচিংয়ে নারীর সংখ্যা যথেষ্ট নয়। পরিবর্তন দ্রুত আনতে হলে আমাদের আরও সুস্পষ্ট পথ তৈরি করতে হবে, সুযোগ বাড়াতে হবে এবং মাঠের পাশে নারীদের উপস্থিতি বাড়াতে হবে। ফিফার নতুন এই নিয়ম এবং লক্ষ্যভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নারী কোচদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে কাজ করবে।”

নতুন নিয়ম অনুযায়ী বেঞ্চে অন্তত দুইজন নারী স্টাফ রাখতে হবে, যার মধ্যে কোচও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন।

এছাড়াও প্রতিটি দলের মেডিক্যাল স্টাফে অন্তত একজন নারী থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।