বাসস
  ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:২২

নীরবতা ভেঙে ফের সরব বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়

ফাইল ছবি

ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ( বাসস) : বেশকিছু দিনের নীরবতা ভেঙে ফের সরব হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দপ্তর।

আজ সোমবার সকাল থেকে দেখা গেছে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সরব উপস্থিতি।

সকাল ১১টায় দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অফিসে এলে কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে স্বাগত জানায়।

নয়া পল্টনে এসে পৌঁছালে প্রধান ফটকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। পরে বিএনপি মহাসচিব তিন তলায় নিজের চেম্বারে গিয়ে বসেন।

সেখানে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য সালেহ উদ্দিন, হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহ-সভাপতি তপন কুমার মজুমদারসহ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ফুল দিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে স্বাগত জানান।

এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে এই প্রথম বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি প্রায় নেতা-কর্মী শূন্য ছিলো, অলস সময় কেটেছে অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের।

সোমবার সকালে দেখা গেলো উল্টো চিত্র। অফিস কর্মীরা আনন্দ-উৎফুল্ল, সাজ-গোছ করা  হয়েছে ব্রিফিং কক্ষ।

বিএনপি দফতরের কর্মকর্তা রেজাউল করীম বলেন, ‘মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যার আসবেন সেজন্য সকাল থেকে আমরা রেডি ছিলাম। স্যার এসেছেন আমাদের ভালো লাগছে।'

অপর একজন অফিস কর্মী বলেন, ‘গত ছয়দিন একেবারে ফাঁকা ছিলো, নেতা-কর্মী কেউ সেভাবে আসেনি। আমাদের কাজ-কর্ম ছিলো না। আজকে অনেকে আসছেন, শ্লোগান দিচ্ছেন, গম গম করছে অফিস।'

পল্টনে মহানগর বিএনপির কর্মী আবদুল হালিম বলেন, ‘মহাসচিব আসবেন জেনে সকাল ১০টায় পার্টি অফিসে এসেছি। সঙ্গে আরও কয়েকজন এসেছে। গত কয়েকদিন ছিলো বিএনপি অফিসটা একেবারে নীরব। 

লোকজন সেভাবে দেখিনি। আজকে এসে মনে হচ্ছে অফিস প্রাণ ফিরে পেয়েছে।'

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিন তলায় নিজের চেম্বারে বসেন। চেম্বারে বসে বিএনপি মহাসচিব দফতরের সহ সম্পাদকদের নিয়মিত অফিস করার নির্দেশ করেন।

তিনি ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কাজ কর্মের খোঁজ-খবর নেন এবং সকলকে নিয়মিত অফিসে থাকার বলেন। 

তিনি তাদের বলেন, ‘আপনারা নিয়মিত অফিস করবেন, কোনো কাজ ফেলে রাখা যাবে না। নেতা-কর্মীরা দূর দূরান্ত থেকে আসলে তাকে সহযোগিতা করবেন। এটাতে যেন কোনো শিথিলতা না হয়।'

নয়া পল্টনের অফিসে প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থানের পর বিএনপি মহাসচিব সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে অফিস ত্যাগ করেন।