শিরোনাম

বাগেরহাট, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাটে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে মোল্লাহাটে প্রবেশদ্বার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পৌঁছালে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিনন্দন জানান এবং ফুল দিয়ে বরণ করেন। এ সময় সড়কের দুই পাশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পরে তিনি তার গ্রামের বাড়ি গাওলায় পৌঁছে জুম’আর নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মসজিদ সংলগ্ন তার পিতার কবর জিয়ারত করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান।
জুম্মার নামাজের আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিসার্স ক্লাবের সামনে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন আল রশীদ, সাবেক সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহমেদ, সাবেক আহ্বায়ক শিকদার জামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহেদ আলী ও সাবেক সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, মোল্লাহাট আমার শিকড়ের স্থান। জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সড়ক, রেল ও নৌ-যোগাযোগ খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও পায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এর আগে সকাল ৯টায় মোল্লাহাটের বোয়ালিয়া সাগর ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে নিজ এলাকায় ফেরার পথে তাকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোল্লাহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহমেদ, সাবেক আহ্বায়ক শিকদার জামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহেদ আলী ও সাবেক সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়াসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
দুই নেতার আগমনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।