BSS-BNhrch_cat_news-24-5
বাসস
  ০৬ আগস্ট ২০২১, ২১:০৭
আপডেট  : ০৬ আগস্ট ২০২১, ২৩:৩৩

ব্রিকস বিজ্ঞানীরা কোভিড-১৯ মহামারীর গাণিতিক মডেল বিশ্লেষণ করবেন

ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২১ (বাসস): ব্রিকস (বিআরআইসিএস) ভুক্ত দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা) বিজ্ঞানীরা সার্স-কোভ-২ এর জিনোমিক সিকোয়েন্সিং এবং কোভিড-১৯ মহামারীর এপিডেমিওলজি ও গাণিতিক মডেল নিয়ে গবেষণা করবেন।
ভারতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র আজ জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি এই ভাইরাসের জেনেটিক মিউটেশন সহ ভাইরাসের বিস্তারের কারণ খুঁজে বের করতে এবং ভাইরাসের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বভাস দিতে সহায়তা করবে।  
বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন পটভূমির বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের দক্ষতা কাজে লাগাতে একটি গবেষণা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। 
ভারতের অধ্যাপক ড. সিএইচ শশীকলা, চীনের অধ্যাপক ইউহুয়া জিন, রাশিয়ার গবেষক ইভান সোবোলেভ এবং ব্রাজিলের ড. মারিলদা মেন্ডোনসা সিকেইরাকে নিয়ে গঠিত এই কনসোর্টিয়াম এ লক্ষ্যে ব্রিকস-বহুপাক্ষিক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ পরিচালনা করবে। 
সূত্র জানায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় এই গবেষণার আওতায় ভারত ও ব্রাজিল বর্জ্য জল-ভিত্তিক এপিডেমিওলজি (ডব্লিউবিই) নজরদারির জন্য মেটাজিনোম বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবেশগত নমুনায় সার্স-কোভ-২ বিস্তার সম্পর্কে অনুসন্ধান করবে।  
চীনা এবং রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা শ্বাসযন্ত্রের রোগের উপসর্গ যুক্ত রোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক উপাদানে (ন্যাসোফ্যারিঞ্জিয়াল সোয়াব) সার্স-কোভ-২ এর রিয়েল-টাইম পিসিআর সনাক্তকরণ এবং জিনোমিক ভিন্নতা, তুলনামূলক জিনোমিক্স এবং ফাইলোজেনেটিক বিশ্লেষণ সম্পর্কে গবেষণা করবেন। 
তারা বলেছেন, ভারত, চীন, রাশিয়া এবং ব্রাজিল থেকে প্রাপ্ত জিনোমিক, মেটাজিনোমিক এবং এপিডেমিওলজিক্যাল উপাত্তগুলো ভাইরাসের মিউটেশন বিশ্লেষণ, জনসংখ্যা জেনেটিক্স, ফাইলোজেনেটিক সম্পর্ক, রিকম্বিনেশন বিশ্লেষণ এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য গাণিতিক মডেল তৈরীর জন্য সম্পৃক্ত করা হবে যাতে ভাইরাস ছড়ানোর গতি শনাক্ত করা যায়। 
বিভিন্ন গ্রুপ দ্বারা তৈরি উপাত্ত কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ভাইরাসের বিস্তার ও বেঁচে থাকার বিষয়টি তুলনা করা হবে এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তুলা হবে।  ইন্সটিটিউট অফ মাইক্রোবায়োলজি, চীনের প্রতিষ্ঠান চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সেস, রাশিয়ার ফেডারেল রিসার্চ সেন্টার অফ ফান্ডামেন্টাল অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন এবং ব্রাজিলের রেসপিরেটরি ভাইরাস অ্যান্ড মিজলস ল্যাবরেটরি, অসওয়াল্ডো ক্রুজ ইনস্টিটিউট থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সক্ষমতা বিবেচনা করে এই সহযোগিতামূলক গবেষণা পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে।  
এই গবেষণাটি ভিন্ন দেশগুলোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্লেষণ করার জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম দিবে এবং ভাইরাসের বিস্তারের পথ ও সংক্রমণের গতি সুস্পষ্ট করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।  

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন