বাসস
  ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৩৬

জনস্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছে তথ্য, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জনস্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে হর্ন বাজানো বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে তথ্য, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়।

আজ এক চিঠিতে হর্ন নিয়ে মন্ত্রণালয়ের মূল বার্তা : ‘হর্ন বাজাবেন না। হর্ন বাজালে পুলিশ জরিমানা আরোপ করবে।’

এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করেছে।

জনস্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে হর্ন বাজানো বন্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ সংক্রান্ত এসব তথ্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের এক পত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

আজ এক তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, অতিমাত্রায় শব্দদূষণের ফলে মানুষের বহুমাত্রিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দদূষণের কারণে কানে কম শোনা, আংশিক বা পুরোপুরি বধিরতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা এবং মনোসংযোগ বিঘ্ন হওয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের গর্ভপাত, গর্ভস্থ বাচ্চা বধির বা প্রতিবন্ধী/বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর জন্ম হবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।

শব্দদূষণের কারণে বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, ট্রাফিক পুলিশ, রিকশা বা গাড়ির চালক, রাস্তায় চলাচলকারী পথচারী, উচ্চ শব্দের উৎসের নিকটস্থ শ্রমিক ও বসবাসকারী মানুষ অধিক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশের মানব সম্পদের ওপর এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এদিকে, গত বছরের ২৪ নভেম্বর শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ সরকার গেজেটে জারি করেছে। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি-৬ এ যানবাহনের হর্ন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। বিধি-৬ (২) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি মোটরযান বা নৌযানে অননুমোদিত শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী হর্ন স্থাপন ও ব্যবহার করতে পারবে না। বিধি-৬(৩) অনুসারে নীরব এলাকায় এবং বিধি-৬(৪) অনুসারে আবাসিক এলাকায় রাতে হর্ন বাজানো যাবে না। উক্ত বিধিমালার বিধি-২০ অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বিধি-৬ (২) (৩) (৪) এর অধীন কোনো অপরাধ ঘটালে পুলিশ কর্মকর্তা তাকে জরিমানা করতে পারবে।