বাসস
  ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৪:০৮
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৯:২৪

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : রিজওয়ানা হাসান

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবিলিটি কনক্লেভ ২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন । ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য, বায়ু ও পানির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও নিরাপদ এবং সুজলা-সুফলা, শস্যশ্যামলা দেশে রূপান্তর করতে হবে। এজন্য, আমাদের অবশ্যই টেকসই উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

আজ শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবিলিটি কনক্লেভ ২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য নাগরিকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে এবং অতিরিক্ত ভোগ কমাতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করব।

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের দাবিই প্রমাণ করে পরিবেশের সুরক্ষা কতটা জরুরি। সাদা পাথর লুটের ঘটনা এর একটি বড় উদাহরণ। একইভাবে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার কমাতে হবে। এছাড়া পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার ও উন্নয়নের নামে পাহাড় ও বনভূমি ধ্বংস বন্ধ করতে হবে।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সরকারের কাছে ট্যাক্স প্রণোদনার প্রস্তাব পৌঁছে দেয়া হবে যাতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলো উৎসাহিত হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমাদের কাছে অনেক নীতি আছে, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো কার্যকর বাস্তবায়ন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকায় সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, হাতিলের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ. রহমান, অক্সফাম ইন বাংলাদেশের হেড অব ইনফ্লুয়েন্সিং, কমিউনিকেশনস, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড মিডিয়া মো. শরীফুল ইসলাম এবং মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের জন্য টেকসই উন্নয়ন কেবল নীতি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দায়িত্ব। নাগরিক, সরকার ও বেসরকারি খাত একসঙ্গে কাজ করলে টেকসই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।