শিরোনাম
ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া অনেকটা সময় যথাযথ চিকিৎসা পাননি। এ জন্য প্রায়ই তাকে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজা’র সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
এর আগে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। পরীক্ষা শেষে তাকে আবার বাসায় আনা হয়।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল যে জীবন আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছিল। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে তার বাসস্থান ফিরোজায় নিয়ে আসা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০১৮ সালে তিনি কারাগারে হেঁটে হেঁটে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দী অবস্থায় যখন তাকে ফেরত দেয়া হলো, তখন তিনি হুইল চেয়ারে আসলেন। তার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, এতে তার জীবন আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছিল।’
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘পরবর্তীতে মেডিকেল টিমের পরামর্শে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসকদল এসেছিলেন ২০২৩ সালে, তখন তারা চিকিৎসা করেন। তারপর ম্যাডামের চিকিৎসার জন্য আমরা তাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিরাট একটা সময় তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সেজন্য যে চিকিৎসাটা প্রয়োজন সেটি করা সম্ভব হয়নি। ফলে এখন তাকে প্রায়শই এভারকেয়ার হাসপাতালে যেতে হয়, জাস্ট সুস্থ থাকার জন্য।’
ডা. জাহিদ আরো বলেন, ‘মানসিকভাবে বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।’