বাসস
  ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫৭

পার্লামেন্টে আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমেই আমরা সমৃদ্ধ হতে চাই : চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

সংসদ ভবন, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, পার্লামেন্টে আমরা আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমেই সমৃদ্ধ হতে চাই এবং দেশপ্রেমের জায়গা থেকে ঐকমত্যে পৌঁছানো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। 

তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো— গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রাখা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নে কাজ করা। 

চিফ হুইপ আরও বলেন, চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের বন্ধ হওয়ার সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। 

তিনি বলেন, এই সংবাদের সাথে সম্পর্কিত দুই লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ ঘাটে নোঙর করার সংবাদটিও প্রচার হওয়া উচিৎ ছিল। গণমাধ্যমের উচিত নেতিবাচক খবরের পাশাপাশি ইতিবাচক খবরগুলোকেও তুলে ধরা।

আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতিতে জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ হুইপ এ কথা বলেন।

এ সময় চিফ হুইপ বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে দেশের সার্বিক কল্যাণে কাজ করছেন। 

মানবিক কল্যাণ, মানবিক রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাজ করার পাশাপাশি তিনি সকল ক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

কর্মসংস্থান তৈরিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, আমরা অনেকগুলো ভাষায় মানুষকে শিক্ষিত করতে চাই, যাতে আমাদের দেশে দক্ষ মানুষ তৈরি হয়। 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করার জন্য আরবি, চীনে কাজের জন্য মান্দারিন, ইতালিতে ইতালিয়ান ভাষা, কোরিয়ায় কোরিয়ান ও জাপানে কাজের জন্য জাপানিজ ভাষা শিখতে হবে। 

তবে তিনি দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে অবশ্যই ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ এটি একটি বৈশ্বিক ভাষা। শিক্ষা মন্ত্রী সারা দেশ ঘুরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রদান করবেন।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদিও বর্তমানে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আমাদের ও বিরোধী দলের মাঝে কিছু মতপার্থক্য আছে, তবে আমরা সবাই ঐক্যমত্যে আসব এবং সম্মিলিতভাবে প্রস্তাব আনব। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নে কাজ করা। পার্লামেন্টে আমরা আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমেই সমৃদ্ধ হতে চাই এবং দেশপ্রেমের জায়গা থেকে ঐকমত্যে পৌঁছানো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র ।