বাসস
  ২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:৪২

আলোকিত লালমনিরহাট গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু আজ শুক্রবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা শহরের চার্চ অব গড মিশন প্রাঙ্গণে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গঠনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি: বাসস

লালমনিরহাট, ২৭ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, লালমনিরহাটকে একটি আলোকিত জেলায় রূপান্তর করতে হলে সরকারি-বেসরকারি সকল পর্যায়ের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

তিনি বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এ অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আজ শুক্রবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা শহরের চার্চ অব গড মিশন প্রাঙ্গণে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গঠনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। 

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো খাতে উন্নয়নই জেলার সার্বিক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা লালমনিরহাটের বর্তমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিশেষ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নগর ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ কোনো স্লোগান নয়, বরং এটি একটি সম্মিলিত প্রত্যাশা-যেখানে উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি সমানভাবে প্রতিফলিত হবে।

মতবিনিময় সভায় তরুণ প্রজন্ম একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মসংস্থানমুখী লালমনিরহাট গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে। তারা স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, স্টার্ট-আপ সহায়তা বৃদ্ধি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের দাবি জানান।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার আয়োজনে জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পৌর প্রশাসক রাজিব আহসান, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের মতবিনিময় সভার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মতামত নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।