বাসস
  ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৬:১৫

পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির আজ শুক্রবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ‘বাংলাদেশ পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা-২০২৬’ এর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। ছবি: বাসস 

ঢাকা, ৬ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ অনুষ্ঠান হয়। 

পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। এসময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ এবং বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশ সদস্যদের জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন লালনের মাধ্যমে নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়ে তুলতে হবে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আর পুলিশ সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কাজ করে থাকে।

আইজিপি আইনি সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও সদাচরণের মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদানের জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। পরে আইজিপি বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন।

প্রতিযোগিতায় আজানে প্রথম হয়েছেন- চট্টগ্রাম জেলার কনস্টেবল মো. মনিরুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন- ৩ এপিবিএন’র নায়েক আবু মুসা এবং তৃতীয় হয়েছেন- আরএমপি ও রাজশাহীর এএসআই (সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক।

কেরাতে প্রথম হয়েছেন- কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের লিনেন কিপার মো. আব্দুল আউয়াল, দ্বিতীয় হয়েছেন- ৩ এপিবিএন’র নায়েক আবু মুসা, এবং তৃতীয় হয়েছেন- ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিসের কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম।

হামদ ও নাতে প্রথম হয়েছেন-১১ এপিবিএন’র নারী কনস্টেবল নাদিয়া নাছরিন নূপুর, দ্বিতীয় হয়েছেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নায়েক মো. রাকিবুল ইসলাম এবং তৃতীয় হয়েছেন- বিএমপি, বরিশালের কনস্টেবল এস এম মশিউর রহমান।

‘নাগরিক হয়রানি বন্ধে ইসলাম’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন- হবিগঞ্জ জেলার কনস্টেবল জুনায়েদ বিন মর্তুজ, দ্বিতীয় হয়েছেন- ৪ এপিবিএন’র কনস্টেবল আ ম মো. উমর ফারুক বায়েজিদ এবং তৃতীয় হয়েছেন- আরআরএফ, রংপুরের নারী কনস্টেবল মোছা. এসমোতারা খাতুন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীগণ ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।