শিরোনাম

ঢাকা, ১ আগস্ট, ২০২৬(বাসস) : পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
আজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার ‘ওয়ান স্টুডেন্ট-ওয়ান ট্রি, গ্রিন ক্যাম্পাস, গ্রীন এনার্জি’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, জাইকার কর্মকর্তা এস এম রেজাউল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কো-অর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন ও কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ।
এছাড়া সভায় ইউনেস্কো, জাইকা ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ৩শ’টিরও বেশি কলেজ এবং প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে এই কর্মসূচির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে সম্পৃক্ত করার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়।
প্রতিটি শিক্ষাবর্ষে একজন শিক্ষার্থী অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করলে প্রতি বছর প্রায় ৪০ লাখ এবং আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে অন্তত ২ কোটি বৃক্ষরোপণ করা সম্ভব হবে।
কেবল গাছ রোপণই নয়, রোপণকৃত গাছের অন্তত ৮০ শতাংশ যেন বেঁচে থাকে, তা সুনিশ্চিত করতে অত্যাধুনিক ডিজিটাল মনিটরিং, জেলা ও বিভাগভিত্তিক পর্যবেক্ষণ এবং একটি শক্ত জবাবদিহিতা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
এছাড়া পরিবেশগত উপযোগিতা বিচারে অঞ্চলভিত্তিক সঠিক বৃক্ষ নির্বাচন ও স্থান নির্ধারণের বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
একইসঙ্গে ‘গ্রীন ক্যাম্পস, গ্রীন এনার্জি’ উদ্যোগের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং ইউনেস্কোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের কলেজগুলোতে পরিবেশবান্ধব ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার বিশদ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।
কর্মসূচি দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে ভাইস-চ্যান্সেলর একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত কিছু কলেজে পাইলট প্রকল্প শুরু হবে এবং পরবর্তীতে তা পর্যায়ক্রমে সারাদেশের সকল অধিভুক্ত কলেজে সম্প্রসারণ করা হবে।